محتوای جذاب و دیدگاه های متنوع را در صفحه کشف ما کاوش کنید. ایده های تازه را کشف کنید و در گفتگوهای معنادار شرکت کنید
বরুণা— তোমার নির্মল স্নিগ্ধ সুবাস
আজও আমায় হাতছানি দিয়ে ডাকে,
অন্তহীন মরুভূমির বুকে
তোমার নিঃশ্বাসের মতো জলের সন্ধান,
যেখানে তৃষ্ণা মানে শুধু আরেক জন্মের অপেক্ষা।
তোমার ছায়ার ভাঁজে
হারিয়েছি হাজার পথের মানচিত্র,
তবু প্রতিটি ধুলোবিন্দুতে
তোমার নাম বুনেছি—
একটি ধোঁয়া-ভরা ভালোবাসার অক্ষরে।
লাস্ট কয়েকদিনে অস্ট্রেলিয়া যেভাবে ইন্ডিয়ানদের ট্রল করছে, তার আগে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রও তাদের নিয়ে অনেক সমালোচনা করেছে। বুঝতে পারলাম, মিডল ইস্টের দেশগুলো ছাড়া আর কোনো দেশই তাদের অতি মাতব্বরি সহ্য করতে পারছে না।
আসলে এসব আরবের শেখদের কথায় কথায় বাবা ডাকলে সাথে প্রতি কথায় হাঁ সূচক উত্তর দিলেই হইছে, ফিদা হয়ে যায়। আমাদের প্রতিবেশী দেশের নাগরিকেরা এসব চামচামি ভালো পারলেও আমরা পারিনা। যার কারণে সারা বিশ্বের কাছে এরা পচানি খাইলেও, আরবদের কাছে এরা যদু মধু রাম সাম..
ইসমাইল (আঃ) ইসলামের একজন মহান নবী এবং হযরত ইবরাহিম (আঃ)-এর বড় ছেলে। তিনি কুরআন ও হাদিসে বিশেষভাবে উল্লেখিত এবং সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।
ইসমাইল (আঃ)-এর পরিচয়:
1. জন্ম:
তিনি ছিলেন হযরত ইবরাহিম (আঃ)-এর স্ত্রী হাজেরা (আঃ)-এর সন্তান।
2. ত্যাগ ও পরীক্ষা:
ইসমাইল (আঃ)-এর জীবনের একটি বড় পরীক্ষা ছিল তাঁর কোরবানি সম্পর্কিত ঘটনা। আল্লাহ ইবরাহিম (আঃ)-কে স্বপ্নে আদেশ করেছিলেন নিজের প্রিয় পুত্র ইসমাইলকে কোরবানি দিতে। আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের নিদর্শনস্বরূপ ইবরাহিম (আঃ) ও ইসমাইল (আঃ) উভয়েই এই আদেশ মানতে প্রস্তুত হন।
আল্লাহ তাদের আত্মত্যাগ ও আনুগত্য দেখে একটি ভেড়া পাঠিয়ে ইসমাইল (আঃ)-এর পরিবর্তে তা কোরবানি করার নির্দেশ দেন। এটি ইসলামের কুরবানি প্রথার সূচনা করে।
3. যমযম কূপ:
শিশু ইসমাইল (আঃ) যখন তৃষ্ণার্ত ছিলেন, তখন হাজেরা (আঃ) পানি খুঁজতে মারওয়া ও সাফা পাহাড়ে ছুটাছুটি করেন। আল্লাহর কুদরতে মক্কায় যমযম কূপের সৃষ্টি হয়, যা এখনো মুসলমানদের জন্য একটি বিশেষ নিদর্শন।
4. কাবা নির্মাণ:
ইসমাইল (আঃ) ও ইবরাহিম (আঃ) কাবা ঘর নির্মাণে একসঙ্গে কাজ করেন। এটি মুসলমানদের কিবলা এবং ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
শিক্ষণীয় বিষয়:
ইসমাইল (আঃ)-এর জীবনের ঘটনা আমাদের শিক্ষা দেয় আত্মত্যাগ, আল্লাহর প্রতি আনুগত্য, এবং ধৈর্যের মূল্য।
তাঁর জীবনীতে পারিবারিক সম্পর্ক, দায়িত্ববোধ, ও আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসের গভীর দৃষ্টান্ত দেখা যায়।
কোরআনের উল্লেখ:
কোরআনে ইসমাইল (আঃ)-এর নাম ১২ বার উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি নবী এবং ধৈর্যশীল হিসেবে প্রশংসিত হয়েছেন।
সমাপ্তি:
ইসমাইল (আঃ) মুসলিম ইতিহাস ও ধর্মীয় চেতনার একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। তাঁর জীবন ও কর্ম আমাদের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।
লাস্ট কয়েকদিনে অস্ট্রেলিয়া যেভাবে ইন্ডিয়ানদের ট্রল করছে, তার আগে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রও তাদের নিয়ে অনেক সমালোচনা করেছে। বুঝতে পারলাম, মিডল ইস্টের দেশগুলো ছাড়া আর কোনো দেশই তাদের অতি মাতব্বরি সহ্য করতে পারছে না।
আসলে এসব আরবের শেখদের কথায় কথায় বাবা ডাকলে সাথে প্রতি কথায় হাঁ সূচক উত্তর দিলেই হইছে, ফিদা হয়ে যায়। আমাদের প্রতিবেশী দেশের নাগরিকেরা এসব চামচামি ভালো পারলেও আমরা পারিনা। যার কারণে সারা বিশ্বের কাছে এরা পচানি খাইলেও, আরবদের কাছে এরা যদু মধু রাম সাম..
🌟 Chase Your Dreams Relentlessly 🌟
No one said the road to success would be easy, but every step you take brings you closer. Don't let fear, doubt, or failure hold you back. Work hard, stay focused, and let your passion light the way. You’re capable of amazing things—believe it and achieve it! 💯
নামাজ কাযা করার ক্ষেত্রে প্রতিদিনের নামাজের জন্য নির্দিষ্ট কোনো কাফ্ফারা নেই। তবে, ইসলামী শরীয়ত অনুসারে, যে নামাজ কাজা হয়েছে, তা যত দ্রুত সম্ভব আদায় করে নেওয়া উচিত।
নামাজ কাযা আদায়ের পদ্ধতি:
1. নিয়ত: কাজা নামাজ পড়ার সময় নিয়ত করতে হবে যে এটি কাজা নামাজ। উদাহরণ: "আমি আমার কাজা ফজর নামাজ আদায় করছি।"
2. ক্রমানুসারে আদায়: চেষ্টা করতে হবে নামাজগুলো ক্রমানুসারে আদায় করতে। তবে, সময় অনুযায়ী তা সম্ভব না হলে যেকোনো নামাজ আগে পড়া যায়।
3. তওবা ও ইস্তিগফার: আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং ভবিষ্যতে নামাজ সময়মতো আদায় করার সংকল্প করতে হবে।
উল্লেখযোগ্য বিষয়:
যদি কারো দীর্ঘ সময় ধরে নামাজ কাজা হয়ে থাকে, তাহলে তার জন্য একত্রে কাজা নামাজ পড়া কঠিন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দিনে কয়েকটি করে কাজা নামাজ পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা ক্ষমাশীল এবং আন্তরিক তওবা গ্রহণ করেন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সময়মতো নামাজ আদায় করার তৌফিক দিন।