কুরআনে আল্লাহ তাআলা মুমিনদের নির্দেশ দিয়েছেন কাফির ও মুশরিকদের বন্ধু বা ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে গ্রহণ না করার জন্য। আল্লাহ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, তাদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করলে তা ঈমানের বিরোধিতা করা।
১. সুরা আল-ইমরান (৩:২৮)
আল্লাহ বলেন:
"মুমিনরা যেন মুমিন ব্যতীত কাফিরদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করে। আর যে এমনটি করে, তার সাথে আল্লাহর কোনো সম্পর্ক নেই, যদি না তোমরা তাদের থেকে নিরাপত্তার জন্য বাঁচতে চাও। আর আল্লাহ তোমাদের নিজেই সতর্ক করছেন। আল্লাহর কাছেই সবকিছু প্রত্যাবর্তন করবে।"
২. সুরা আন-নিসা (৪:১৪৪)
আল্লাহ বলেন:
"হে মুমিনগণ! তোমরা কাফিরদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না মুমিনদের পরিবর্তে। তোমরা কি চাও তোমাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর স্পষ্ট প্রমাণ দাঁড় করাতে?"
৩. সুরা আল-মায়িদা (৫:৫১)
আল্লাহ বলেন:
"হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদি ও খ্রিস্টানদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে যে তাদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পথপ্রদর্শন করেন না।"
৪. সুরা আত-তাওবা (৯:২৩)
আল্লাহ বলেন:
"হে মুমিনগণ! তোমরা তোমাদের পিতামাতা ও ভাই-বোনদেরও বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না যদি তারা ঈমানের পরিবর্তে কুফরকে প্রিয়তর মনে করে। আর তোমাদের মধ্যে যে তাদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে, তারাই তো জালিম।"
আল্লাহর স্পষ্ট সতর্কতা সত্ত্বেও আপনারা মুশ-রিকদের প্রতি অতি দয়া দেখাচ্ছেন। মনে রাখবেন, ফিলি-স্তিনিরাও একসময় কিছু মানুষের প্রতি এমনই দরদ দেখিয়েছিল। সেই দরদের ফল কী হয়েছিল, তা ইতিহাস আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে। আপনি কি নিজেকে আল্লাহর চেয়ে বেশি দয়াবান মনে করেন??
AbuAahil
حذف نظر
آیا مطمئن هستید که می خواهید این نظر را حذف کنید؟
AbuAahil
حذف نظر
آیا مطمئن هستید که می خواهید این نظر را حذف کنید؟